পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ এবং ঘরোয়া উপায়
মেদ বা চর্বি স্বাস্থ্যের জন্য এক ধরণের সমস্যা। পৃথিবীর অন্য প্রান্তের মানুষের ন্যায় আমাদের দক্ষিণ এশিয়াতেও বিভিন্ন বয়সের মানুষের পেটে অধিক চর্বির উপস্থিতি দেখা যায়। পেটে চর্বি থাকলে সেইটা যেমন অসস্তির বড় একটা করণ হয়ে দাঁড়ায়
তেমনি পেটের এই চর্বি আমাদের স্বাস্থ্যের সৌন্দর্য নষ্ট করে ফেলে। ফলে কারও যদি সুন্দর সুঠাম শরীর থাকা সত্ত্বেও পেটে চর্বি থাকার কারণে সেইটা একটু উদ্ভট দেখায়। মানুষের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষ একটু আরামপ্রিয় হয়ে যায় আর এই সময়ই শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমে।
সূচিপত্রঃ পেটের চর্বি কমানোর ৯ টি সহজ উপায়
- পেটের চর্বি কি এবং কিভাবে চর্বি হয়
- পেটের চর্বি কমানোর ৯ টি সহজ উপায়
- খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা
- পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা
- পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো
- নির্দিষ্ট সময় করে হাঁটাহাঁটি করা
- মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলা
- ন্যাচারাল পানীয় গ্রহণ করা
- ব্যায়াম করা
- তেল-মসলা কম খাওয়া
- কার্ডিও উপকারী ব্যায়াম করা
পেটের চর্বি কি এবং কিভাবে চর্বি হয়
আমরা জানি যে, পেটের চর্বি আমাদের শরীরের অপ্রয়োজনীয় একটি অঙ্গ। আমাদের খাবার-দাবারের সাথে আমরা যখন প্রচুর পরিমাণে চিনি জাতীয় খাবার খাই অথবা শরীরের চাহিদার থেকেও অধিক পরিমাণে ক্যালরি গ্রহণ করি অথবা পক্রিয়াজাত করা খাবার গ্রহণ করে থাকি, তখন এই খাবার গুলি শরীর ট্রাইগ্লিসারাইড এ পরিণত করে এবং এটিই পরবর্তীতে পেটে চর্বি বা ভুড়ির আকার ধারণ করে। তাই বলা যায় আমাদের অনিয়ন্ত্রিত খাবারের কারণেই কেবল চর্বির মতো একটি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গের সৃষ্টি হয়ে থাকে।
আমাদের শরীরকে যখন আমরা কষ্ট কম দিই, কম পরিশ্রম এবং আরাম প্রিয় করে তুলি তখন আমাদের শরীরে পুষ্টির পরিমাণ অতিরিক্ত হয়ে যায় যা পরবর্তীতে পেটে চর্বি সৃষ্টি করে এবং শরীরের সৌন্দর্যের অবনতি ঘটায়। তাছাড়া অতিরিক্ত হারে তরল নেশা জাতীয় পানীয় তথা অতি উচ্চ মাত্রার অ্যালকোহল গ্রহণ করার ফলে শরীরে চর্বি সৃষ্টি হয়। আবার অতিরিক্ত হারে শর্করা এবং শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে চর্বি বা ভুড়ির সৃষ্টি হয়। এগুলো ছাড়াও মেটাবলিজম সমস্যা বা বিপাকীয় সমস্যার কারণে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হওয়ার কারণে পেটে চর্বি হয়ে থাকে।
পেটের চর্বি কমানোর ৯ টি সহজ উপায়
আমাদের অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং খারাপ অভ্যাসের কারণে যেমন মেদ বা পেটে চর্বি জমা হয়, তেমনি নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম পালন করলে পেট থেকে অবাঞ্ছিত সেই চর্বিকে খুব তাড়াতাড়ি সরিয়ে ফেলা সম্ভব। তাই আজকে আমরা পেটের চর্বি কমানোর ৯ টি সহজ উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো। কিভাবে সহজ উপায়ে অতি দ্রুততার সাথে পেটের চর্বি দূর করা যায়।
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা
পেটের চর্বি কমানোর ৯ টিসহজ উপায় এর মধ্যে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন করা অন্যতম প্রধান একটি উপায়। কেননা আমাদের পেটে চর্বি হওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখে এটি। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গুলো হলো-
- ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়া- যেসম্ত খাবারে আঁশ যুক্ত থাকে সেই খাবারগুলিই সাধারণত ফাইবারযুক্ত খাবার। ফাইবার যুক্ত খাবারের তালিকায় রয়েছে নানা রকমের সুস্বদু ফল-মূল, রয়েছে নানান ধরণের শাক-সবজি, রয়েছে ওটস এবং ডাল ইত্যাদি। এসব খাবার একটু বেশী সময় ধরে পেটে থাকে তথা হজম হতে সময় লাগে।
- তেল-চর্বি এবং বেশী মসলাযুক্ত খাবার আমাদের সকলের কাছেই পছন্দের একদম শীর্ষে অবস্থান করে। কেননা আমাদের মুখরোচক খাবারের অধিকাংশই তেল- চর্বি দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। আর এসব খাবার খুবই সুস্বাদু এবং দেখতে অতি আকর্ষণীয় মনে হলেও বিষপূর্ণ এসব খাবার আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা পরবর্তীতে মেদ, হার্ট ব্লক তথা হার্ট এটাকের মতো ঘটনা ঘটে। তাই তেল-চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিৎ।
- আমাদের মাঝে অনেকেই প্যাকেজিং করা খাবার খেয়ে থাকি। প্রসেসিং করে প্যাকেট করে রাখা এসব খাবার আমরা স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ বলে মনে করি। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে এসব খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো পরিহার করা উচিৎ।
- চিনি এবং চিনি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
- কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার বর্জন করা উচিৎ। কারণ কার্বোহাইড্রেট যুক্ত শরীরে চর্বি জমায়। কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার গুলো হলো- ভাত, রুটি বা গম জাতীয় খাবার, বেকারীর খাবার, বিভিন্ন বিস্কুট ইত্যাদি।
- পেটের চর্বি কমানোর জন্য গ্রীণ খাওয়া যেতে পারে। কারণ এতে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট পেটের চর্বি কমাতে দারুণ সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা
- আমরা সবাই জানি যে প্রতিদিন আমাদের অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করা উচিৎ। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে এই পানি আমাদের শরীর থেকে চর্বি ছাঁটাই করতে দারুণভাবে সাহায্য করে। তাছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করার ফলে সেই পানি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে।
- আমরা অনেকেই সাধারণ পানি বাদ দিয়ে বাজারে পাওয়া যায় এমন বিভিন্ন তরল বা কোমল পানীয় খেতে খুবই পছন্দ করি। কিন্তু এদের কোনটাই সাধারণ পানির মতো হতে পারে না। এসব পানীয় শরীরে চর্বি তৈরী করতে পারে। কিন্তু চর্বি কমাতে পারে না। তাই আমাদের প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিৎ।
- পানি পান করলে শরীরের আদ্রতা বাড়ে। যার ফলে মেটাবলিজম তৈরী হওয়ার মাধ্যমে শরীর থেকে চর্বি ছাঁটাই হয়ে যয়।
- পেট থেকে দ্রুত চর্বি কমাতে পানির সাথে লেবু যোগ করে খাওয়া যেতে পারে
- সকাল বেলা পানিকে হালকা গরম করে নিয়ে খালি পেটে খাওয়া যেতে পারে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো
- ঘুম প্রতিটি মানুষের জন্য অপরিহার্য। একটি প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিৎ। আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন আমাদের শরীরের চর্বি গুলোকে কোর্টিসল নামক হরমোন কেটে ফেলে। যার ফলে চর্বির আক্রমণ থেকে আমরা অনেকাংশে রক্ষা পেয়ে থাকি। কিন্তু পর্যাপ্ত না ঘুমালে শরীরে চর্বি বেড়ে যায় এবং মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
- আমরা অনেকেই আছি যারা খাবার খাওয়ার পরপরেই ঘুমানোর জন্য বিছানাতে দৌড়াই। কিন্তু এর প্রভাব কতটা যে ভয়ঙ্কর সেইটা আমরা আন্দাজ করি না। এর ফলে আমাদের হজম শক্তি হ্রাস পায়। সেই জন্য আমাদের সকলের উচিৎ খাওয়ার পরপরই বিছানায় না গিয়ে ১-২ ঘন্টা পরে যাওয়া। এতে করে খাবার হজম হওয়ার একটা সুযোগ পায় এবং শরীরে চর্বি হওয়ার কোন সুযোগ থাকে না।
নির্দিষ্ট সময় করে হাঁটাহাঁটি করা
পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায় এর মাঝে নির্দিষ্ট সময় করে হাঁটাহাঁটি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরী একটা বিষয়। সারাদিন আমরা নানা রকম কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকি। কিন্তু এতসব কাজের মাঝে হাঁটাহাঁটি করার জন্য আমরা সময় বের করতে পারি না। যার ফলশ্রুতিতে আমরা বিভিন্ন রকম রোগে আক্রান্ত হই। আমাদের মাঝে অনেকেই হাঁটাহাঁটি করেন না বলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হয় না, চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, শরীরে ব্যাথা হয়, ওজন বেড়ে যায় প্রভৃতি রোগের সূত্রপাত ঘটে। তাই আমরা যদি এসব রোগ থেকে মুক্ত হতে চাই তাহলে আমাদের উচিৎ সময় করে হাঁটাহাঁটি করা।
কিভাবে হাঁটাহাঁটি করা উচিৎ চলুন তা একটু জেনে নিই-
- হাঁটাহাঁটি শুরু করার পূর্বে ওয়ার্মআপ করে নেওয়া দরকার।
- আমাদের প্রত্যেকের উচিৎ প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৪০-৪৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি করা। তবে সকাল সন্ধ্যা ২ বেলা হাঁটলে ভালো হয়।
- একদম আস্তে আস্তে বা ঝড়ের গতিতে হাঁটা উচিৎ নয়।
- এমন ভাবে হাঁটা উচিৎ যেন শরীর ঘেমে যায় এবং অসস্তি না লাগে, হার্টের যেন ক্ষতি না হয় প্রভৃতি বিষয় লক্ষ করা দরকার।
- হাঁটাহাঁটি শেষ করতে চাইলে কুল ডাউন করে নেওয়া উচিৎ।
মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলা
মানসিক চাপ বা মানসিক টেনশন আমাদের শরীরের জন্য হুমকীস্বরুপ। কেননা মানসিক টেনশনের কারণে আমাদের শরীরে থাকা কর্টিসল নামক হরমোন সঠিকভাবে তার কাজ করতে পারে না। এর ফলে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয় এবং শরীরের সৌন্দর্যের দারুণ বিকৃতি ঘটে। তাই মানসিক টেনশন বা মানসিক চাপ কমাতে যাকিছু করা উচিৎ তা হলো-
- প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো
- প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম করা
- ক্যাফেইন গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা
- অ্যালকোহল গ্রহণ না করা
- চিনি ও চিনি জাতীয় খাবারকে সম্পূর্ণ বর্জন করা
- প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া, ইত্যাদি।
ন্যাচারাল পানীয় গ্রহণ করা
ন্যাচারাল পানীয় পেটের চর্বি ধ্বংস করতে বা ছাঁটাই করতে দারুন ভূমিকা পালন করে থাকে। ন্যাচারাল পানীয় গুলো হলো-গ্রীন টি, জিরা মিশ্রিত পানি, আদা পানি, লেবু পানি প্রভৃতি।প্রতিদিন সকালে অথবা দিনের যেকোন সময়ে ন্যাচারাল পানীয় গ্রহণ করা যায়। ন্যাচারাল পানীয় খাওয়ার উপকারিতা গুলো হলো-
- ন্যাচারাল পানীয় গুলি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে
- ডিটক্সিফিকেশনের মান উন্নত করে
- হজম শক্তিকে আরও মজবুত এবং শক্তিশালী করে
- অতিরিক্ত চর্বি গুলোকে ছাঁটাই করে
ব্যায়াম করা
ব্যায়াম হলো সুস্থ থাকার চাবিকাঠি এবং পেটের চর্বি কমানোর সহজ উপায় গুলোর মধ্যে আরেকটি কার্যকরী উপায় হলো ব্যায়াম করা। প্রত্যেক মানুষের উচিৎ নিয়মিত নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে ৪০-৪৫ মিনিট ব্যায়াম করা। যাতে আমাদের শরীর সুস্থ্য থাকে। চলুন বিভিন্ন ধরণের ব্যায়াম এবং ব্যায়াম করার উপযোগীতা গুলো জেনে নিই-
- পেটের চর্বি কমানোর জন্য ক্রাঞ্চ নামক ব্যায়াম করা যেতে পারে।
- প্লাঙ্ক ব্যায়ামটি হাতের পেশীকে শক্তিশালী করতে দারুন উপযোগী।
- লেগ রাইজ ব্যায়াম করলে পেটের নিচের অংশের চর্বি দ্রুত কমে যায়।
- পেটের উপড় চাপ বাড়িয়ে চর্বি কমানো যেতে পারে।
- আমাদের শরীরে ক্যালরি বেশী থাকলে সেইটাকে বার্ন করতে চাইলে মাউন্টেন ক্লাইম্বার নামক ব্যায়াম করা যেতে পারে।
তেল-মসলা কম খাওয়া
আমরা প্রতিদিন যেসমস্ত খাবারগুলা খাই তার অধিকাংশ খাবারই তেল এবং অধিক মসলা যুক্ত খবার। অধিক পরিমাণে তেল আর মসলা যুক্ত খাবার গুলো একটু বেশী লোভনীয় এবং খেতে সুস্বাদু হলেও সেই খাবার গুলি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরণের হুমকী স্বরুপ। অধিক পরিমাণে তেল আর মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়। যা আমাদের শরীরের মেদ, গ্যাস এবং ওজন বৃদ্ধি সহ নানা ধরণের রোগের সূচনা করে। তাই তেল-মসলা কম ব্যবহার করে রান্না করা উচিৎ
কার্ডিও উপকারী ব্যায়াম করা
পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায় গুলোর ভেতরে কার্ডিও উপকারী ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কার্ডিও উপকারী ব্যায়াম সম্পর্কে চলুন একটু জেনে নিই-
- পেটের চর্বি কমাতে ঘাম ঝড়ানোর মতো দৌড়াদৌড়ি করে ঘাম ঝড়াতে পারলে সেইটা পেটের চর্বি কাটার জন্য খুবই ভালো।
- সাঁতার কাটা পেটের চর্বি কমানোর জন্য অন্যতম প্রধান একটি ব্যায়াম।
- যাদের পেটে অতিরিক্ত চর্বি রয়েছে তারা অতি দ্রুততার সাথে পেট থেকে চর্বি ছাঁটাই করতে চাইলে তাদের জন্য দারুন একটি ব্যায়াম হলো সাইক্লিং।
- পেটের চর্বি কমানোর জন্য জাম্পিং রোপ করেও দেখতে পারেন, এতে সুফল পাওয়া সম্ভব।
- পেটের চর্বি কমানোর জন্য দড়িখেলা ব্যায়ামটি খুবই উপযোগী।
শেষকথা
পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায় নিয়ে আজ আমরা যা আলোচনা করলাম তার পরিপ্রেক্ষিপ্তে বলা যায় যে, পেটে চর্বি বৃদ্ধির প্রথম এবং প্রধান কারণ হলো আমাদের খাবার। আমাদের খাবারের মান এবং তেল-চর্বি ও অধিক মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার কারণে আমাদের শরীরে চর্বি জমে। তবে পেটের চর্বি কমানোর জন্য আমাদের উপড়িউক্ত আলোচনার বিষয়গুলি যদি মেনে চলা যায় তাহলে পেটের চর্বি আর থাকবে বলে মনে হয় না।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url