ব্রণের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জেনে নিন


ব্রণের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জানতে হলে কি কি করতে হবে তার সুন্দর কিছু টিপস আমরা আমাদের আজকের এই পোষ্টটির মাধ্যমে আপনাকে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করবো। ব্রণ কেন হয়,

ব্রণের-গর্ত-দূর-করার-ঘরোয়া-উপায়


কতটা ক্ষতিকর, ব্রণের চিকিৎসায় ঘরোয়া উপায়ন্তর সম্পর্কেও জানানোর জন্য চেষা্ববব তাই চলুন বাড়তি কোন কথা না বাড়িয়ে আমরা ব্রণের গর্ত দূর করার জন্য যেসব উপায় রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে জেনে নিব।

সূচিপত্রঃ ব্রণের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় 

  • ব্রণের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় 
  • মুখের ব্রণ কি এবং কেন ব্রণ সৃষ্টি হয়
  • ব্রণের কারণে মুখে গর্ত সৃষ্টির কারণ
  • ব্রণের গর্তের আকৃতি সমূহ
  • ব্রণের গর্তের প্রতিকার এবং চিকিৎসা
  • মধু ব্যবহার করা
  • কাঁচা হলুদ ব্যবহার করা
  • বেকিং সোডা ব্যবহার করা 

ব্রণের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায়

ব্রণের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় নিয়ে অনেকে অনেক কিছু ভেবে থাকেন। ঘরে বসে কিভাবে ব্রণ দূর করবেন, কোন পদ্ধতিতে ট্রিটমেন্ট নিবেন ভরসা পাচ্ছেন না, ব্রণ সেরে গেছে কিন্তু ব্রণের গর্তগুলি দূর হচ্ছেনা, দাগ গুলো থেকে যাচ্ছে, মুখমন্ডল বিশ্রী দাগে ভরে গেছে ইত্যাদি চিন্তা-ভাবনা করতেই চলে যাচ্ছে সময় আর স্থায়িত্ব বাড়ছে দাগের। তবে এটাও  একটা বড় চিন্তার কারণ হতে পারে যে, ব্রণের দাগ বেশী দিন থাকলে সেইটা তুলে ফেলা একটু কষ্টকর ব্যাপার। 

ব্রণ নিয়ে কেবল আপনি নয়, বর্তমানে এটা একটি বৃহৎ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকের মাঝে। ব্রণের টেনশনে চোখের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। ব্রণ বিশেষ করে "টিন এজ" এই বয়সে অনেকের মাঝে বেশী পরিলক্ষিত হয়। ব্রণ থেকে বাঁচতে অনেকে ঘরোয়া ভাবে চিকিৎসা করে কেউবা অন্য কারও টা দেখে বাজার থেকে বিভিন্ন ধরণের ক্রীম নিয়ে আসে। আবার অনেকে নানান রকমের কসমেটিকস বা প্রসাধনী ব্যবহার করেও এর কোন সুরাহা পাননি। 

ব্রণের সমস্যা দূরীকরণে ভালো একটা পরামর্শ হলো- ঘরোয়াভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে এর চিকিৎসা করা। প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে বসে ব্রণের চিকিৎসা করলে কখনও ক্ষতি হওয়ার মতো সম্ভাবনা থাকে না। এজন্য যদি আপনার মুখে অনেক পুরানো ব্রণের গর্ত থেকে থাকে, অনেক পুরানো ব্রণের কালো দাগ থেকে থাকে, তাহলে আপনি নিশ্চিন্তে বাড়িতে বসে প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ব্রণের গর্ত পূরণের চেষ্টা করতে পারেন। 

মুখের ব্রণ কি এবং কেন ব্রণ সৃষ্টি হয়

ব্রণ হলো এক ধরণের চর্মরোগ। মুখে ব্রণ হয় শরীরের কিছু টিস্যুর কারণে এবং কিছু রাসায়নিক কারণে ইত্যাদি। তাছাড়া  কয়েক ধরণের হরমোন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলেও মুখে ব্রণ বের হয়ে থাকে। এর কারণ হিসেবে বলা যায় শরীরে এন্ড্রোজেন নামক হরমোন এবং স্টেস্টোস্টেরন নামক হরমোন যখন শরীরে বৃদ্ধি পায় তখন তার প্রভাব হিসেবে সেইটা মুখে ব্রণ হিসেবে দেখা দেয়। এবং হালকা হালকা ব্যাথা অনুভব হয়। 
ব্রণের-গর্ত-দূর-করার-ঘরোয়া-উপায়



মুখে ব্রণ খুবই বিরক্তিকর একটা জিনিস। কেননা ব্রণ হলে মুখের সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যায়। আর এর জন্য দায়ী থাকে হরমোন, কিছু জেনেটিক কারণ, রয়েছে মানসিক কারণ। আরও রয়েছে সংক্রমণের কারণে, মৃত কোষের কারণে, হরমোন পরিবর্তনের কারণে, জীনত্ত্বের কারণে ব্রনের মতো সমস্যা দেখা দেয়। 

মুখে ব্রণ হয়েছে কিনা সেইটা বুঝা খুবই সহজ একটা ব্যাপার। আমরা যখন লক্ষ্য করি যে, মুখের আস্তরণ বা ত্বক ভেদ করে পিম্পল জাতীয় কোন কিছু বের হয়েছে, নডিউল বের হয়েছে বা প্যাপুল বের হয়েছে তখন বুঝতে হবে এটা ব্রণ।ব্রণ চিনার আরও কিছু উপায়ান্তর রয়েছে, যেগুলো আমাদের নিশ্চিত করে যে, এগুলো অন্য কিছু না, এগুলো ব্রণ। যেমন- ত্বক ভেদ করে উঠা লালচে দাগ, তৈলাক্ত ত্বক, কাটা দাগ ক্ষত দাগ ইত্যাদি। 

ব্রণের কারণে মুখে গর্ত সৃষ্টির কারণ

অনেকের মুখে ব্রণ বের হয় কিছুদিন থাকে আবার মিলিয়ে যায়। আবার কারও মুখে বারোমাস ব্রণ থাকে -মিলিয়ে গিয়ে আবারও বের হয়, কারও মুখে বেশ বড় বড়  ব্রণ বের হয়ে সেগুলি ভয়ঙ্কর আকৃতিতে  প্রকাশ পায়। মোট কথা এই অসস্তিকর ব্যপার নিয়ে কেউ ভালো নেই। অনেকের একটা বাজে অভ্যাস আছে যে, ব্রণের গোড়া হলকা লাল বা সাদা হলেই সেগুলোকে ফাটিয়ে ভেতরের নোংরা রস গুলি বের করে দেয়।

ব্রণের গোড়া থেকে এসব রস বের করার ফলে সেখানে একটা গর্তের সৃষ্টি হয় এবং সেইটা সহজে পূরণ হতে পারে না। চলুন একটু বিজ্ঞানের ভাষায় বুঝিয়ে দিই, তাহলে বিষয়টা হয়তোবা আরও পরিষ্কার হবে। 
যখন কারও মুখে ব্রণ বের হয় তখন বিষয়টা অসস্তি লাগে।এমতাবস্থায় যদি বেশী করে হাতের নখ দিয়ে সেখানে চাপ দেওয়া হয়, নখ দিয়ে কেটে ফেলা হয় তখন সেখানকার সেই ব্রণের গোড়া রস শূন্য হয়ে পড়ে। এর ফলস্বরুপ আমাদের শরীরে উৎপাদিত যেসব কোলাজেন স্বাভাবিক ভাবে ত্বকের এই গর্তগুলি পূরণ করে ত্বককে আগের রুপ দান করতে সহায়তা করতো। তখন সে এটা আর করতে পারে না। 

কারণ স্বাভাবিক ভাবে উৎপাদিত মাত্রার কোলাজেন শরীরের বিভিন্ন ক্ষত স্থান পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই যখন শরীরে কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি পায় অথবা কমে যায় তখন ব্রণের স্থানে কালো দাগ বা গর্তের  সৃষ্টি হয়। 

বড় এবং শক্তিশালী ব্রণ যখন মুখে বের হয় তখন তার ক্ষতিকর প্রভাব বিভিন্ন টিস্যুর উপড় গিয়ে পড়ে, তখ। সেই টিস্যু সহজে আর স্বাভাবিক অস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় নিয়ে থাকে। তাই ব্রণের গোড়ায় গর্ত এবং কালো দাগ পড়ে। 

এমন কিছু ধরণের ব্রণ রয়েছে যারা কম শক্তিশালী কিন্তু প্রচুর পরিমাণে বেদনা দায়ক। তারা এসব ব্রণ ত্বকের ভেতরে কোলাজেন উৎপাদনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং এদের কারণে কোলাজেনের উৎপাদন হ্রাস পায় অথবা প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন উৎপাদন করে। আর এর ফলশ্রুতিতে মুখের ব্রণের স্থান শুকিয়ে গেলেও সেখানে সৃষ্টি হওয়া গর্ত পূরণ হতে চায় না।

ব্রণের গর্তের আকৃতি সমূহ 

ত্বকের টিস্যু অনুসারে এক এক জনের মুখে এক এক ধরণের ব্রণ বের হয়। এসব ব্রণ কোনটা গোলাকার, কোনটা হালকা গর্তাকৃতির, কোনটা ডিম্বাকৃতির ন্যায় হয়ে থাকে, কোনটা সরু গর্তের আকৃতি নিয়ে মুখের চারপার্শে গণিত বা অগণিত ভাবে বের হয়ে থাকে। মুখে যেই ধরণের ব্রণ গুলি বের হয় এবং যাদের কারণে ব্রণের স্থানে গর্ত হয়ে থাকে চলুন সেসব সম্পর্কে একটু জেনে নিই। 
  • গোল আকৃতির গর্ত
  • বক্স আকৃতির গর্ত
  • পিক আকৃতির গর্ত
  • হাইপারটক্সিক আকৃতির গর্ত
  • কোলয়েড আকৃতির গর্ত ইত্যাদি। 

ব্রণের গর্তের প্রতিকার এবং চিকিৎসা

মুখে ব্রণ বের হলে বাড়তি একটা টেনশন ফিল হয়। তেমনি আবার যখন ব্রণ চলে গিয়ে তার থেকে সৃষ্টি দাগ বা গর্ত রেখে যায়, তখন সেইটা হয় সব থেকে বড় টেনশন গুলোর মধ্যে একটি। এই ব্রণ থেকে সৃষ্ট গর্ত কিভাবে দূর করা যায় এই টেনশন মাথায় নিয়ে যারা ঘুরছেন, বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করেও যারা কোন সুফল পাচ্ছেন না, যারা ব্যপক ভাবে প্রতারিত হয়ে আজ ক্লান্ত, অবসাদ গ্রস্থ, তাদের জন্যই আজ আমরা দারুন কিছু টিপস নিয়ে হাজির হয়েছি। 
ব্রণের-গর্ত-দূর-করার-ঘরোয়া-উপায়



এখন আমরা ব্রণের গর্ত দূর করার জন্য যেসব উপায়ের কথা বলবো, সেসব ফর্মুলা আপনারা যদি নিজেদের উপড় প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে আমরা খুবই আশাবাদী যে, আমাদের এ ফর্মুলা গুলো দিয়ে আপনাদের উপকার ভিন্ন কোন অপকার হবে না। তাই আর দেরি না করে চলুন সেসব উপায় বা ফর্মুলা গুলো কিভাবে কোন প্রকারে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে সেসব জেনে নিই।

মধু ব্যবহার করা

মধু একটি সুস্বাদু খাবার হিসেবে সবথেকে বেশী জনপ্রিয় একটি খাবার। এছাড়া মধু এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহ নাশক হিসেবেও অনেক পরিচিত। যাদের মুখে ব্রণের গর্ত রয়েছে তাদের মুখের ব্রণের দাগ তথা হালকাভাবে গর্ত দূর করতে মধু দারুন একটি উপাদান।  ব্রণের গর্ত দূর করতে মুখ পরিষ্কার করে নিয়ে  মধু লাগিয়ে রাখুন এবং ২০-২৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।দেখবেন যে, আগের তুলনায় মুখ আরও বেশী উজ্জ্বল দেখাবে। 

কেবল মাত্র মধু দিলে উপকার পাওয়া যায় তবে তার সাথে আলাদা কিছু যুক্ত করলে তার রেজাল্ট আরও বেশী পাওয়া সম্ভব। যেমন মধুর সাথে হালকা করে লেবুর রস মিশিয়ে মুখে দেওয়া যেতে পারে। তাছাড়া মধুর সাথে সামান্য পরিমাণে কাঁচা হলুদ এবং হালকা একটু লেবুর রস  মিশিয়ে ভালে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপরে সেইটা মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে ২০ ২৫ মিনিট । এভাবে কিছু দিন প্রয়োগ করলে দেখবেন আপনার ব্রণের দাগ এবং গর্ত অনেকাংশে কমে যাবে। 

কাঁচা হলুদ ব্যবহার করা

কাঁচা হলুদের উপকারের কথা বলে শেষ করা যায় না। কাঁচা হলুদ হলো একটি বড় এন্টিসেপ্টিক। তাছাড়া হলুদে থাকে এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল  এব এন্টি-ইনফ্ল্যামেটরি থাকার কারণে এটির কর্ম ক্ষমতা খুবই জোড়ালো হয়। কাঁচ হলুদ মুখের কালো দাগ ও মুখে ব্রণের গর্ত দূর করতে কাঁচা হলুদের কোন জুড়ি নেই। কাঁচা হলুদ বেটে সেইটা যদি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিটের জন্য রেখে দিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। তাহলে ভালো রেজাল্প পেতে পারেন।

এছাড়া আরও ভালো ত্বকের জন্য ব্রণের গর্ত পূরণের জন্য কাঁচা হলুদের সাথে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে মুখে ব্রণে লাগিয়ে কিছুক্ষনের জন্য রেখে দিতে হবে এবং ফান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে নিয়মিত করলে মুখ থেকে ব্রণের দাগ এবং গর্ত চলে যাবে।

বেকিং সোডা ব্যবহার করা

বেকিং সোডা ব্রণের দাগ তুলতে এবং ব্রণের গর্ত পূরণ করতে  একটি অনন্য উপাদান হিসেবে পরিচিত। বেকিং সোডা অন্যান্ন কাজের পাশাপাশি এক্সফোলিয়েন্ট এর কাজটিও করতে পারে খুব সহজে। কেননা ব্রণ মরে যাওয়ার পরে তার থেকে সৃষ্ট গর্তে থেকে যায় মৃত কোষ, যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু বেকিং সোডা সেই মৃত কোষ গুলিকে ত্বক থেকে সরিয়ে ফেলে এবং পুনরায় নতুন কোষ গঠনে দারুনভাবে সাহায্য করে।

বেকিং সোডা ব্রণের গর্তকে পূরণ করে। যেভাবে বেকিং সোডা দিয়ে দারুন একটা পেস্ট বানিয় ব্রণের গর্তে লাগাবেন তা হলো- প্রথমে একটি পাত্রে সামান্য পরিমাণ বেকিং সোডা নিয়ে তার সাথে একটু পানি মিশিয়ে নিয়ে সেইটা ভালোভাবে মিক্সড করে ব্রণের গর্তে লাগিয়ে ১৫ মিনিটের মতো রেখে দিতে হবে। এরপরে সেইটা ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে দেখবেন মুখের ত্বক আগের থেকে একটু উজ্জ্বল হয়ে যাবে। 

আইস প্রলেপ দেওয়া

আইস বা বরফের আস্তরণ ত্বকের জন্য খুবই ভালো একটা উপাদান। ব্রণের গর্তে আইসের প্রলেপ দিলে তেমন একটা সুফল পাওয়া না গেলেও এর থেকে ক্ষতি আশা করা যায় না। তবে বরফের আস্তরণ মুখের ত্বককে পরিষ্কার রাখে এবং উজ্জ্বল করে। 

টক দই

টক দই ব্রণের গর্তের চিকিৎসায় দারুন কার্যকরী এক উপাদান। একটি পাত্রে কিছু পরিমাণ টক দই এবং সামান্য পরিমাণ মধু নিয়ে সেইটা ভালোভাবে মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। তারপরে দ্রবণটি ভালো করে মিশে গেলে সেইটা ব্রণের গর্তের উপড় লাগাতে হবে এবং ২০-২৫ মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে। তারপরে ঠান্ড পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিলে সুন্দর একটা ত্বকের প্রকাশ ঘটে। 

উপরিউক্ত টক দই এর সাথে মধু দিয়ে বানানো পেস্টের সাথে আরও একটি উপাদান হিসেবে কাঁচা হলুদ যদি মিক্সড করা যায় তাহলে আশা করা যায় যে আরও ভালো সুফল পাওয়া সম্ভব। কেননা এসব উপাদানে থাকা খনিজ, মিনারেল, এন্টিসেপ্টিক, এন্টিঅক্সিডেনট, ভিটামিন সি প্রভৃতির সংমিশ্রণে একটা শক্তিশালী পেস্ট তৈরী হয়। যা 

চন্দন গুঁড়ো

চন্দন, চন্দন কাঠ বা চন্দন থেকে প্রাপ্ত গুঁড়ো সবাই চিনেন। 

অন্যান্ন

  • শসার প্রলেপ
  • অলিভ অয়েল
  • চা গাছের তেল
  • লেজার থেরাপি
  • সাবস্ক্রিপশন
  • কেমিক্যাল পিল
  • মাইক্রোনিডলিং
  • পি আর পি চিকিৎসা

শেষকথা

ব্রণের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় হিসেবে উপড়ে বর্ণিত মধুর ব্যবহার, বেকিং সোডা ব্যবহার,কাঁচা হলুদের ব্যবহার,আইসের প্রলেপ দেওয়া, টক দইয়ের ব্যবহার বা তার সাথে হলুদ ও মধুর একটা কম্বো প্যাক এবং চন্দনের সঠিক ব্যবহার আপনার মুখে থাকা ব্রণের দাগ এবং ব্রণের গর্ত পূরণে অধিকতর সাহায্য করতে সক্ষম। যদি আপনি এগুলো ব্যবহার করতে পারেন আপনার মুখের ত্বকের উন্নতি ভিন্ন কোন অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।


তবে যদি উপরিউক্ত উপাদান গুলি দিয়ে ততটা উপকৃত না হয়ে থাকেন, তবে সব থেকে ভালো হবে ব্রণের জন্য আপনি যদি নিকটবর্তী ভালো কোন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন।






এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url