আঙুরের উপকারিতা ও অপকারিতা

 প্রসাবে জ্বালাপোড়ার ঘরোয়া চিকিৎসা 

আঙুর নরম, পুষ্টি উপাদানে পরিপূর্ণ এবং সুমিষ্ট ও বারোমাসি একটি ফল। আঙুর ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং রয়েছে অন্যান্ন উপকারী সব উপাদানসমূহ। আঙুরের উপকারিতা সম্পর্কে জানলে দেখা যায় যে, আঙুর খাওয়ার ফলে ত্বকের বিভিন্ন রকমের সমস্যার সমাধান হয়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করে, খাবার হজম করতে সাহায্য করে, মস্তিষ্কের সুসাস্থ্য বজায় রাখে, চুল পড়া রোধ করে এবং কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর করে ইত্যাদি। 

সূচিপত্রঃ আঙুরের উপকারিতা

  • আঙুরের উপকারিতা
  • চুলপড়া রোধ করা
  • ত্বকের যত্ন নেওয়া
  • ডায়াবেটিস সিকিউরিটি
  • মস্তিস্কের বিকাশ ঘটানো
  • হার্টের সুরক্ষা প্রদান
  • ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস
  • হজমশক্তি বৃদ্ধি
  • কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়
  • শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
  • শেষকথা 

আঙুরের উপকারিতা

আঙুরের উপকারিতা রয়েছে অনেক। তাই প্রতিদিন আঙুর খাওয়া অনেক ভালো একটা অভ্যাস। কিন্তু বর্তমানে আঙুরের খবার মূল্য যেই হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে এই ফল খাওয়াটা মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত মানুষের নাগালের বাহিরে চলে যাচ্ছে। তবুও সকলের উচিৎ কিছু পরিমাণে আঙুর প্রতিদিন খাবারের মেনুর সাথে সংযোগ করা। আঙুরে থাকা পুষ্টি, ভিটামিন এবং মিনারেলস এর কারণে এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে তুলে, এটি হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়,, বাহ্যিকভাবে ত্বককে রাখে সুস্থ্য-সবল এবং উজ্জ্বল ইত্যাদি।

আঙুরের উপকারিতা নিয়ে বলা যা অনেক। কেননা এর রয়েছে অধিক গুণাগুণ যা মানব শরীরের জন্য খুবই অপরিহার্য। আমরা অনেকেই আঙুরের উপকারিতা সম্পর্কে কম বেশী জানা সত্ত্বেও  মূল্যের কারণে আঙুরকে এড়িয়ে চলি। যার ফলে অনেক প্রকার পুষ্টি উপাদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। তাই চলুন এখন আমরা আঙুরের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানার জন্য চেষ্টা করব-

চুলপড়া রোধ করা


আঙুর বারোমাস পাওয়া যায় বলে একে বারোমাসি ফলও বলা যায়। বারোমাসি এই আঙুর ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোসায়ানিডিনস যা অকালে চুল পড়ে যাওয়াকে রোধ করতে দারুনভাবে সাহায্য করে। তাছাড়া চুল ঝরে পড়া রোধ করতে আঙুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, রয়েছে ভিটামিন ই, আরও রয়েছে লিনোলিক এসিড। আঙুরে থাকা ভিটামিনের এই সমস্ত উপাদান গুলো ফলিকল বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে থাকে। অনেকের মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল করে না ফলে মাথার ত্বকে নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে আঙুর খাওয়ার ফলে মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন হয়।

  ফলে থাকা এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ই চুলের জন্য অনন্য উপকারী উপাদান হিসেবে পরিচিত। অনেকের মাথার চুল মাঝখান থেকে এমনিতেই ভেঙ্গে পড়ে যায় অথবা চুলের আগা ফেটে যায়। এর প্রধান কারণ হলো ভিটামিন ই ও এন্টি-অক্সিডেন্ট এর অভাব। আঙুর খেলে এন্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ই এর অভাব পূরণ হয়ে উপড়িউক্ত সমস্যাগুলির সমাধান হয়ে যাবে। এছাড়া অনেকের চুলের গোড়া শক্ত হচ্ছে না, কোলাজেন উৎপাদন হচ্ছে না, মাথা ভর্তি খুকশী যা কোনভাবেই যাচ্ছে না তাদের জন্য এজন্য তাদের উচিৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে আঙুর খাওয়া প্রয়োজন। 

ত্বকের যত্ন নেওয়া

ত্বকের যত্নে আঙুর ফলের গুরুত্ব অপরসীম। আঙুরে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট, রেসভেরাট্রল, টারটারিক এসিড এবং ইনফ্ল্যামেটরি নামক উপাদানের উপস্থিতির কারণে এটা আরও বেশী সমৃদ্ধশালী। আমাদের মধ্যে এমনও অনেক ব্যাক্তি আছেন যাদের বয়স কম হওয়া সত্ত্বেও তাদের ত্বক ঢিলা হয়ে যায়, মুখে বয়সের ছাপ পড়ে, ত্বক হাইড্রেটেড থাকে না, ত্বকের আদ্রতা হারিয়ে অনুজ্জ্বল হয়ে পড়ে, ত্বক খসখসে হয়ে যায়, শরীরে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে, ব্রণের দ্বারা মুখ ভরে যায়, মুখে বলিরেখা বের হয় এবং কালচে দাগ পড়ে ইত্যাদি সমস্যা গুলো পরিলক্ষিত হয়। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানে আঙুরে থাকা উক্ত ভিটামিন উপাদান দারুন ফলদায়ক ভূমিকা পালন করে।

আঙুর যে কেবল খাবার হিসেবেই আমাদের জন্য অতি জরুরী এবং অগুরুত্বপূর্ণ একটি ফল তা নয়। বরং আঙুর ফলকে বেঁটে বা ব্লেন্ডার করে তাকে সানমাস্ক হিসেবে ব্যবহার করাটাও কোন একটা আশ্চর্যের বিষয় নয়। আঙুরকে ব্লেন্ডার করে তার সাথে প্রয়োজনীয় দ্রব্য হিসেবে টক দই, লেবুর রস, মধু প্রভৃতি মিশিয় দারুন একটা দ্রবণ তৈরী করে রোদ্রে যাওয়ার পূর্বে মুখে লাগালে সূর্যের বেগুনী রশ্মিতে মুখের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে না। তাছাড়া এই পেস্ট মুখের কালো দাগ, ব্রণের দাগ ও বলিরেখা পর্যন্ত দূর করতে পারে। 

ডায়াবেটিস সিকিউরিটি 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আঙুরের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আঙুরে গ্লাইসেমিক কম থাকে যার কারণে ডায়াবেটিস এর রোগীরা যদি প্রতিদিন ২০ টি বা তার কম খায় তাহলে আঙুরে থাকা কার্বোহাইড্রেট এর কারণে কোন ক্ষতি হয় না। আবার আঙুর ফলে থাকে গ্লুকোজ এবং ফ্রুকটোজ। যদি কোন ডায়াবেটিস রোগী আঙুর খায় তাহলে এই শর্করা জাতীয় ভিটামিন উপাদান আঙুরে থাকা চিনিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডায়াবেটিসের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে বাধা প্রদান করে। আঙুর ফলে থাকা রেসভেরাট্রল থাকায় এটি নিয়ে ইনসুলিনের যে সংবেদনশীলতা দেখা যায় সেইটা খুবই উচ্চ পর্যায়ভুক্ত। 

মস্তিস্কের বিকাশ ঘটানো

মস্তিষ্কের বিকাশে আঙুর খুবই ফলপ্রসু একটি ফল। আমরা দেখি অনেকেই কম বয়সে বা মাঝ বয়সে সামান্য কিছু জিনিস মনে রাখতে পারে না। হঠাৎ করেই ভুলে যায় আবার অনেকে অল্পতেই মেজাজ হারিয়ে দারুন ভাবে উত্তেজিত হয়ে যায়। এর মূল কারণ হলো মস্তিস্কে রক্তের সঞ্চালন কম। মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালন কম হওয়ার কারণে এমনটা ঘটে। কিন্তু কেউ যদি নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ আঙুর খায় তাহলে তার এই সমস্যা আর হবে না। কেননা আঙুরে রয়েছে রেসভেরাট্রল এবং এন্টি-অক্সিডেন্ট যা মস্তিস্কের প্রদাহকে নির্মূল করতে সাহায্য করে,  দিন দিন স্মৃতিশক্তির বৃদ্ধি ঘটিয়ে মস্তিষ্কে স্মৃতি ধরে রাখতে কর্যত ভূমিকা পালন করে।

আঙুর ফল খাওয়ার ফলে এর ভেতরে থাকা পুষ্টি উপাদানের কারণে এটি মস্তিস্কের যাবতীয় কোষগুলিকে সক্রিয় করে, তাদের নিজেস্ব কার্য্য সম্পন্ন করতে সাহায্য করে, নতুন কোষের বিকাশ ঘটায় এবং মানসিক প্রশান্তিকে বজায় রাখে। 

হার্টের সুরক্ষা প্রদান

বর্তমান সময়ে আমাদের খাবারের মেনুর যা অবস্থা তাতে করে আমরা পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার নামে প্রত্যহ আমরা বিষ পানে রত হয়ে গেছি। আমাদের খাবারের মান এতটাই নিচে নেমে গেছে বা যাচ্ছে যে, আমরা নিজেদের বিপদ যেন আমরা নিজেরাই ডেকে আনছি ক্রমাগতভাবে। আমাদের খাবারের মেনুতে তেল-চর্বি,ভাজা-পোড়া, বাসি খাবার, গরম করে রাখা খাবার অধিক পরিমাণে থাকে যা স্বাস্থ্য ঝুঁকি তো বটেই বরং হৃৎরোগ সৃষ্টির জন্য সবথেকে বেশী ভূমিকা পালন করে। এর ফলশ্রুতিতে শরীরে হার্ট ব্লক হয়ে যেতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মত ঘটনাও ঘটতে পারে।

আঙুরে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট, রেসভেরাট্রল, পলিফেনল, পটাশিয়াম প্রভৃতি ভিটামিনের উপাদান গুলি শরীর থেকে কোলেস্টেরল ছাঁটাই করে, হৃৎপিন্ডে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, প্রদাহ জ্বালাকে প্রশমিত করে। তাই বলা যায় যে, হার্টের সুরক্ষায়  আঙুর অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি ফল।

ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস

ক্যান্সারের নাম শুনলে আতঙ্কিত বা ভয়ে ভীত হয় না এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে এমন কোন ঔষধ আবিষ্কার হয়নি যা ক্যান্সারের মত ভয়ঙ্কর একটা রোগকে সম্পূর্ণরূপে নিরাময় করতে পারে। তাই ক্যান্সারকে সম্পূ্র্ণরূপে নিরাময় করতে না পারলেও তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলা খুবই জরুরী। সেজন্য আমাদের উচিৎ পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং তেল-চর্বি এবং মসলা যুক্ত খাবার পরিহার করা। তাছাড়া ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করতে বিভিন্ন ফল-মূল খাওয়া যেতে পারে। যার মধ্যে আঙুর অন্যতম। কেননা আঙুর ফল ক্যান্সার প্রতিরোধে সবথেকে বেশী এবং জোড়ালো ভূমিকা পালন করে। 

ফলের রাজ যদি আম হয় তবে ফলের রাণী হলো আঙুর। আঙুর ফলে এত পরিমাণ পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান যা বলাই অবাঞ্ছনীয়। আঙুর পুষ্টি উপাদানে ভরপুর বলে তাকে ফলের "স্টোর হাউজ"ও বলা যেতে পারে। আঙুরে থাকা এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, রেসভেরাট্রল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলে। তাই সকলের উচিৎ নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে আঙুর খাওয়া। তাহলে এর পুষ্টি উপাদান গুলি আমাদের শরীরে ক্যান্সার কোষের জন্মরহিত করবে তথা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

হজম শক্তি বৃদ্ধি 

আমরা যেসম তেল-চর্বি ও মসলাযুক্ত খাবার খাই, সেসব খাবার খাওয়ার পরে ওই খাবারগুলি পাকস্থলিতে গিয়ে হজম হতে দেরি করে। কিন্তু আঙুর ফল খুবই তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায় এবং পরিপাকতন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে। আঙুর ফলে থাকা ভিটামিনের অগুরুত্বপূর্ণ উপাদান গুলোর মধ্যে এন্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, রেসভেরাট্রল, ফাইবার অন্যতম। ভিটামিনের এসব উপাদানের উপস্থিতির কারণে পাকস্থলীতে হজম না হওয়া খাদ্য উপাদান গুলো খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। তাছাড়া পুষ্টিহীনতার কারণে আমাদের শরীরে থাকা নানা রকম উপকারী ব্যাকটেরিয়া গুলো যখন অকেজো হয়ে থাকে বা নির্জীব  হয়ে থাকে। যার ফলে পাকস্থলিতে কার্য্য বিভ্রাট ঘটে।

শরীরে থাকা ব্যাকটেরিয়া নির্জীব হয়ে গেলে আঙুর খাওয়ার ফলে আঙুরে থাকা প্রিবায়োটিক তার বিরুদ্ধাচরণ করে। এক কথায় এই প্রিবায়োটিক শরীরে ঘুমিয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া গুলোকে নতুন করে সক্রিয় করে। যার ফলে পাকস্থলির পরিপাক ক্রিয়া সঠিকভাবে সংঘটিত হয়।

কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়

অস্বাস্থ্যকর, পুষ্টিহীন, তেল জাতীয়, বাসি, একদিন বা তার আগের খাবার গরম করে খাওয়া এবং ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবার আমাদের পরিপাকতন্ত্রের কাজকে বাহ্যত করে। তাই সেই খাবার হজম না হয়ে কোষ্ঠ-কাঠিন্যের মতো রোগের সৃষ্টি করে।এজন্য নিয়মিত ফল খাওয়া বাঞ্ছণীয়। আর কোষ্ঠ-কাঠিন্যের জন্য আঙুর ফলের জুরি মেলানো ভার। কেননা আঙুর ফলে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। আর এসব পুষ্টি উপাদানের মধ্যে ফাইবার নামক পুষ্টি উপাদানটি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর করতে সব থেকে বেশী ভূমিকা পালন করে। তাই কেউ যদি প্রতিদিন ২০ টি বা ২৫ টি আঙুর খায় তবে তার কোষ্ঠ-কাঠিন্য হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

আঙুরের উপকারিতা নিয়ে বলতে গেলে সেগুলো বলা হবে বাহুল্যতা। কেননা সমস্ত ভিটামিনের খনি হলো আঙুর ফল। কি নেই তাতে! ভিটামিনের সবথেকে বেশী গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গুলো এই ফলেই নিশ্চিন্তে অবস্থান করে। আঙুরে অবস্থান করা এন্টি-অক্সিডেন্ট, ফাইবার, প্রিবায়োটিক, ভিটামিন সি, ক্যাটেকিনস,রেসভেরাট্রল, ম্যাগনেসিয়াম প্রভৃতি।  এসব ভিটামিন উপাদানের কারণে শরীরে রোগ জীবানু বাসা বাঁধতে পারে না। বরং এদের কারণে শরীরে রোগ-বালাইকে দমনের জন্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা আরও বেশী শক্তিশালী হয়ে থাকে। এজন্য  প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে আঙুর খাওয়া উচিৎ। 

শেষকথা

আঙুরের উপকারিতা নিয়ে আশা করা যায় যে, এখন আর নতুন করে বলার মতো কিছুই নেই। কেননা আঙুরের ভেতরে অবস্থান করা সবথেকে শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনের উপাদান এবং এসব উপাদান কেনটা কি কাজ করে তা নিয়ে এই পোস্টে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। আশা করি সেই সকল আপনারা বুঝতে পেরেছেন। তাই সর্বশেষে বলতে চাই যে, আমাদের প্রত্যেকের উচিৎ আমাদের খাবারের মেনুতে নির্দিষ্ট পরিমাণ আঙুর ফল যোগ করা। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url