হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির উপায় নিয়ে কিছু বলার আগে জানতে হবে যে
কেন আমরা হতাশাগ্রস্থ? কেন আমরা হতাশায় ভুগি? কেন আমরা দুশ্চিন্তা
করি,কোন কারণে আমাদের দুশ্চিন্তা আসে?
কোন উপায়ে আমরা অতি সহজেই হতাশা এবং দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে
পারি তার বিশদ বর্ণনা নিয়ে আজকে আমাদের এই আলোচনা। তাই বেশী কথা না বাড়িয়ে
চলুন সরাসরি আমরা মূল আলোচনায় চলে যাই।
হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির উপায় খোঁজার জন্য আমরা সকলে খুবই ব্যস্ত
হয়ে পড়ি। কিন্তু যদি আমরা একটু শান্তভাবে চিন্তা-ভাবনা করে এই হতাশা আর
দুশ্চিন্তা থেকে নিজেকে বের করে আনতে চাই, আমরা যদি এর সমাধান খুঁজতে চাই
তাহলে সেইটা আমাদের জন্য খুবই সহজতর হবে। এই জন্য যেকোন পরিস্থিতিতে যদি
আমরা যদি হতাশা বা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই তাহলে আমাদের উচিৎ যেই কারণে আমাদের
টেনশন হয় তার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া।
কোন না কোন কারণে যেকোন ব্যক্তির হতাশা ও দুশ্চিন্তা থাকবে এটা একটা
স্বভাবিক। কিন্তু এই ব্যাপারটি কে পাশ কাটিয়ে উঠাই হলো উদ্যম। যা কেউ পারে
আবার কেউ পারেনা। যারা হতাশা আর দুশ্চিন্তাকে এড়িয়ে চলতে পারেন না তাদেরকে
মানসিক ভাবে সাহসের যোগান দিতে আজ আমাদের এই প্রচেষ্টা। আপনি যদি খুব বেশী
হতাশা আর দুশ্চিন্তায় ভুগতে থাকেন তাহলে প্রথমে আপনার যেটা করা উচিৎ সেইটা
হলো আপনার ভেতরে থাকা আবেগকে দূর করুন।
আবেগ থাকলে সে নানা রকম জল্পনা-কল্পনা বিস্তার করে। নিজের মস্তিস্কের ভেতরে
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। ফলে ব্যাক্তি সঠিক ডিসিশন নিতে অক্ষম হয়ে পড়ে। আর এর
থেকে বের হতে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো- ধর্মীয় বিষয়ে মন দিতে পারেন, নতুন
নতুন ঠিকানায় বেড়াতে যেতে পারেন ( বিশেষ করে বন-জঙ্গল বা বিভিন্ন
প্রোকৃতিক পরিবেশ হলে ভালো হয় ), ঘুমাতে পারেন, আপনি যেইটা করতে খুব বেশী
পছন্দ করেন সেই কাজগুলো করতে পারেন।
এছাড়া আপনি হতাশা বা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হতে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে
পারেন, যোগ ব্যায়াম করতে পারেন, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে
পারেন। ভালো ভালো খাবার খেতে পারেন, ধর্মীয় আর দর্শনীয় স্থান ঘুরে আসতে
পারেন। মন খুলে হাসতে পারেন, কিছু ব্যায়াম করতে পারেন, পজিটিভ কিছু ভাবতে
পারেন ইত্যাদি। এসকল কার্যগুলি আপনাকে অবশ্যই আপনাকে হতাশা আর দুশ্চিন্তা
থেকে মুক্তি দিতে পারবে।
হতাশা ও দুশ্চিন্তা কি এবং কেন হয়
আমাদের জীবনে আমরা আশা, আনন্দ আর প্রচুর পরিমাণে উৎসাহ নিয়ে বেঁচে থাকতে
চাই। যখন আমরা কোন মূল্যবান কিছু আমাদের জীবনে আশা করি, সেই মূল্যবান
জিনিসটি পাব বলে আনন্দ করি বা তার জন্য উৎসাহ প্রকাশ করে থাকি কিন্তু সেই
মূল্যবান জিনিসটি যদি আমরা না পাই, তাহলে আমাদের সবথেকে বেশী কষ্ট
লাগে। আর এটা থেকে বড় বড় টেনশনের জন্ম হয়। বিভিন্ন জিনিসের প্রতি আসে
অনিহা।
কোন কিছুতে আর আশা করতে আর ইচ্ছা জাগে না। নিরানন্দ মনে হয় সবকিছু। তার
সাথে উৎসাহ যেন নিশ্চুপতা বজায় রাখতে চায়। আর এটাই হলো হতাশা। কোন কিছু না
পাওয়ার বেদনা যেমন হতাশার সৃষ্টি করে তেমনি হতাশা জীবনে চলার পথকে করে তোলে
পিছিল।
আমরা সব সময় আমাদের বর্তমান অবস্থা দেখে ভবিষ্যৎ চিন্তা করে থাকি। বর্তমান
অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে ভবিষ্যৎ সাজাতে আমরা বদ্ধ পরিকর। কিন্তু এই ভবিষ্যৎ
পরিকল্পনার সমস্তটাই যে বাস্তবায়িত হবে তা তো নয়, সব কিছুই যে সুখকর হবে
তাও তো নয়। তাই ভবিষ্যতে হবে বা ঘটতে পারে এমন কিছু ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করে
মনের ভেতরে যেই ভীতিকর অবস্থার সৃষ্টি হয় সেটাই হলো দুশ্চিন্তা।
দুশ্চিন্তা ক্রমান্বয়ে কোন ব্যক্তির মনকে বিষাক্ত করে তোলে, মনের ভেতরে
নানা রকম ভয়ের সঞ্চার করে, যা আমাদের একাকীত্বের স্বাদ আস্বাদন করিয়ে থাকে।
তাছাড়া দুশ্চিন্তার কারণে ঘুমের পরিমাণ প্রায় শূন্যে নেমে আসে, প্রচুর মাথা
ব্যথা হতে পারে যা পরবর্তিতে মাইগ্রেনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, এর কারণে
হার্ট-বিট বেড়ে যেতে পারে, শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার পরবমাণটা স্বাভিবিকের
তুলনায় বেড়ে যেতে পারে।
হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় হিসেবে যেগুলো মেনে চলতে পারেন
হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য যেসমস্ত উপায় অবলম্বন করা যেতে
পারে সেগুলো নিয়েই আজ আমরা আলোচনা করবো।
পরিমাণমত ঘুমানো
হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে ঘুমের বিকল্প খুব কমই আছে। আমরা যখন
ঘুমিয়ে পড়ি তখন আমাদের মস্তিষ্কে যেসব ক্ষত থাকে অটোমেটিক ভাবে সেই ক্ষত
স্থান গুলি ঠিক হয়ে যায়। আবার ঘুমন্ত অবস্থায় মস্তিষ্কের ভেতরে ছড়িয়ে
ছিটিয়ে থাকা যাবতীয় স্মৃতি সমুহ গচ্ছিত হয়। তাছাড়া আমাদের মস্তিষ্কে থাকা
ক্ষতিকর পদার্থগুলি দিনের অন্য যখন বের হতে পারে না, কিন্তু আমরা যখন
ঘুমিয়ে থাকি এই সময় মস্তিষ্ক থেকে সমস্ত ক্ষতিকর পদার্থ বের হয়ে যায়।
যদি ঘুম কম হয় তাহলে মেজাজ খিটটখিটে হয়ে যায়, মন হয়ে ওঠে অশান্ত, আমাদের
আবেগ হয় অনিয়ন্ত্রত। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমালে মেজাজ হবে ফুরফুরে, মন
হবে শান্ত আর আবেগের কোন রকম বালাই থাকবে না। কম ঘুমের কারণে আবার মানসিক
প্রেসার চড়চড় করে বেড়ে যায় ও অস্থিরতা গতিবেগ হয়ে পড়ে লাগামহীন। তাই এসম্ত
উপদ্রব কমাতে ঘুম আমাদের অতি প্রয়োজনীয় এবং অপরিহার্য।
ঘুম কম হলে যেকোন বিষয়ে আমরা মনযোগী হতে পারি না, সঠিক কোন সিদ্ধান্ত
নেওয়ার প্রয়োজন পড়লে মস্তিষ্ক সঠিক উপায়ের খোঁজ করতে পারে না। ফলে বিষণ্নতা
ও উদ্বেগ নিয়ে সময় পার করতে হয়। আর তাই বিভিন্ন কাজে, সঠিক সিদ্ধান্ত
গ্রহণে, বিষণ্ণতা ও উদ্বেগ থেকে রক্ষা পেতে ঘুম খুবই প্রয়োজন। এই জন্য
আমাদের উচিৎ নিয়ম করে হাঁটা, ব্যায়াম করা এবং প্রতিদিন অন্তত ৬-৭ ঘন্টা
ঘুমানো।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া
হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে ঘুমের পরেই আছে পর্যাপ্ত
পরিামাণ পুষ্টিকর খাবার খাওয়া। পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন আর
খনিজ উপাদান যা আমাদের মস্তিষ্কের যাবতীয় কার্যক্ষমতাকে বর্ধিত করে ও
দীর্ঘায়িত করে। পুষ্টিকর খাবার খেলে হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে অনেকাংশে
মুক্তি পাওয়া যায়। পুষ্টিকর খাবার আমাদের মস্তিস্কের জন্য খুব বেশী জরুরী
কেননা পুষ্টিকর খাবার স্ট্রেস হরমোনে কার্টিসেলের পরিমাণ ঠিক রাখে। আর
আমাদের স্নায়ুকে রাখে সুস্থ্য।
হতাশা ও দুশ্চিন্তা কমাতে যেসকল পুষ্টিকর খাবার আমাদের শরীরের জন্য সহায়ক
তার মধ্যে-
ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট যুক্ত সবুজ শাক-সবজি ও
সতেজ ফল-মূল হলো অন্যতম।
যেই সমস্ত খাবারে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ থাকে, প্রচুর পরিমাণে
ম্যাগনেসিয়াম থাকে সেই খাবার আমাদের মস্তিস্ক থেকে টেনশন কমিয়ে একেবারে
শূন্যের ঘরে আনতে পারে। আর এই ধরনের খাবার গুলি হলো বিভিন্ন ধরণের কাঠ
বাদাম, কাজু বাদাম, চীনা বাদাম প্রভৃতি। বীজের মধ্যে- চিয়া বীজ, শিমের
বীজ, মিষ্টি কুমড়ার বীজ প্রভৃতি।
বিভিন্ন রকমের মাছের ত্বকে ওমেগা-৩ পাওয়া যায় যা মানব শরীরের জন্য খুবই
গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ক্যাড ফিশ এ প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ পাওয়া
যায়। যা মস্তিস্ককে শান্ত এবং ঠান্ডা রাখে।
সবুজ চা আমাদের মস্তিস্ক থেকে বাড়তি টেনশন দূর করে, সমস্ত উদ্বেগ
গুলিকে হরণ করে। তাই হতাশা ও দুর্দশা দূর করার উপায় হিসেবে সবুজ চা এর
ভূমিকা অনেক।
প্রকৃতির সৌন্দর্য দর্শন করা
হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে প্রকৃতির মনোরম সৌন্দর্য
দর্শন করা অন্যতম প্রধান একটি উপায়। বিভিন্ন কারণে যখন আমাদের মন
উদ্বেগ বা আবেগে আপ্লুত থাকে, তখন এই মস্তিস্ককে শান্ত করা অত্যন্ত কঠিন
হয়ে পড়ে। এই সময় অন্য কোন উপায় বিশেষ কোন ফল প্রদায়ী হয় না। কিন্তু যখন কেউ
হতাশা আর দুশ্চিন্তায় ব্যথিত হয়ে পড়েন, তাহলে তার উচিৎ কোন প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যে মন্ডিত বিশেষ কোন স্থানে যাওয়া।
কেননা প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য দর্শনে যেকোন ব্যক্তির ব্যাথিত মন ভালো হয়ে
যায়। প্রকৃতির অপরূপ শোভা, পাখীর ডাক, পানির কলকল ধ্বনি, বাতাসের হু হু
শব্দ এবং উপড়ের নীল আকাশ সবকিছু মিলে যেন চমৎকার একটা ইভেন্ট। আর এর মাঝে
নিজেকে হারিয়ে ফেললে মনের সমস্ত হতাশা আর দুশ্চিন্তা এক মুহূর্তের মধ্যেই
নিঃশেষ হয়ে গিয়ে মন হয়ে উঠবে ফুরফুরে এবং আনন্দময়।
ধর্মীয় স্থান ঘুরে বেড়ানো
হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির জন্য সর্বোত্তম বা সর্বশ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে
ধর্মীয় স্থান ঘুরে বেড়ানো, পরমেশ্বরের টেম্পলে গিয়ে এক মনে তাঁকে স্মরণ
করা, তাঁর নাম করা, ধর্মীয় বিভিন্ন ধরণের গ্রন্থগুলি পড়া প্রভৃতি। ধর্মীয়
স্থানে গেলে শরীর-মন পবিত্র হয়ে যায় কারণ সেখানে সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ
করা ছাড়া আর কিছুই থাকে না তাই সেখানে কোন রকম ভয়-ভীতি, চিন্তা-ভাবনা,
রাগ-ক্ষোভ, হিংসার মতো নোংরা জিনিসের ঠাঁই হয় না।
ধর্মীয় স্থানে গিয়ে মন ভালো করার জন্য দারুন একটা পন্থা হলো সৃষ্টিকর্তার
সন্তুষ্টির জন্য ধর্মীয় শাস্ত্রগুলি পাঠ করা। এতে একদিকে যেমন সৃষ্টিকর্তা
সম্পর্কে জানা যায়, সৃষ্টিকর্তা খুশি হন, অনেক অজানা কিছু সম্পর্কে জানা
যায় যা জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এসব কিছু করলে যেকোন ব্যক্তির ভেতর
থেকে হতাশা ও দুশ্চিন্তা নির্মূল হয়ে যাবে, মন আর মস্তিস্ক হবে অতিশয়
শান্ত।
নিদ্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম করা
হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে শারীরিক ব্যায়াম খুবই
গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। যখন কেউ হতাশা বা দুশ্চিন্তায় একেবারে জর্জরিত
হয়ে পড়েন, তখন তার জন্য ব্যায়াম করা হতে পারে অন্যতম উপকারী পদ্ধতি বা বড়
একটা হাতিয়ার। হতাশা ও দুশ্চিন্তায় খুব বেশী চিন্তিত না হয়ে কিছু ব্যায়াম
করা যেতে পারে যেমন- খুবই সকালে বা বিকেলে হাঁটতে বের হওয়া ( অনেকে রাতেও
হাঁটতে পারেন )।
খুব জোড়ে দৌড়াতে না পারলে মিডিয়াম অবস্থায় দৌড়াতে পারেন, আশেপাশে বড় কোন
মাঠ থাকলে সেখানে সাইকেল চালাতে পারেন, বন্ধু-বান্ধব দের সাথে কম-বেশী
নাচতে পারেন, আশেপাশে পুকুর বা নদী অথবা সুইমিংপুলে কিছুসময় সাঁতার কাটতে
পারেন, কোন নির্জন স্থানে বসে যোগ-ব্যায়াম করতে পারেন। এতে কেবল আপনার
শারীরিক ব্যায়ামই হবে না,বরং হতাশা ও দুর্দশা থেকেও আপনি
মুক্তি পেয়ে যাবেন।
শখ বা পছন্দের জিনিসের প্রতি মনযোগ দেওয়া
হতাশা বা দুশ্চিন্তার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য শখ বা নিজে যা পছন্দ করেন
সেই জিনিসের উপড় একটু বেশী পরিমাণ নজর দেওয়া যেতে পারে। এতে করে দেখা যাবে
যে, আপনি যখন আপনার পছন্দের জিনিস যেমন- হতে পারে সেইটা ফুলের বাগান করা,
কোন প্রাণী পোষা, খেলা-ধূলা করা, বই পড়া, গেমিং করা প্রভৃতি কাজে ব্যস্ত
থাকলে একদিকে সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে, মাথায় অতিরিক্ত টেনশন থাকবে না এবং
নিজের কাজের উন্নতি হয়ে যাবে।
যোগ ব্যায়াম করা
আবেগ নিয়ে পড়ে না থাকা
আত্মীয় স্বজনদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা
ধর্মীয় গান-বাজনা করা বা শুনা
বন্ধদের সাথে আড্ডা
মানসিক টেনশন হ্রাসের উপায়
নিজেকে ব্যস্ত রাখা
ক্যাফেইন থেকে নিজেকে বিরত রাখা
মন খুলে হাসতে থাকা
পজিটিভ চিন্তা-ভাবনা শুরু করা
ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন
নেতিবাচক ব্যক্তির সঙ্গ ত্যাগ করুন
উপসংহার
হতাশা ও দুর্দশা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে উপড়ে বর্ণিত বিষয়গুলি অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। উপড়ে আলোচিত প্রতিটি বিষয় আমরা অতি গুরুত্ব সহকারে আলোচনা
করেছি এবং তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়েছি। যা ফলো করলে যেকোন মানুষ হতাশা ও
দুর্দশা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদি উপরিউক্ত বিষয় অবল্ম্বন করার পরেও
যদি সমস্যা থেকে যায়, তাহলে আর বেশী দোরী না করে আপনার নিকটবর্তী কোন
ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url